বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটকে ঘিরে নেপোটিজম বিতর্ক যেন থামছেই না। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ‘নেপোকিড’ তকমা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া তার নতুন সিনেমা ‘আলফা’ প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ার পর আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন এই অভিনেত্রী।

সিনেমাটি মুক্তির পর নেটিজেনদের একাংশের দাবি, অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে আলিয়াকে মানায়নি। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, এই ধরনের চরিত্রে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বা দীপিকা পাড়ুকোনের মতো অভিনেত্রীদের কাস্ট করা হলে তা আরও বিশ্বাসযোগ্য হতে পারত।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলিয়া ভাটের নামে একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরির স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তার নামে বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। ভাইরাল সেই পোস্টে দাবি করা হয়, সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, “আমার সিনেমাকে ফ্লপ বলে কাটাছেঁড়া করার কে তোমরা? আমি টাকা দিয়ে যেভাবে হোক ঠিক পুরস্কার কিনে নিতে পারব। তোমাদের কী হবে তাহলে?”

একই ভাইরাল পোস্টে আরও দাবি করা হয়েছে, তিনি লিখেছেন, “আমি তো ‘তুম্বড় ২’তে অভিনয়ের সুযোগ পেলাম, তোমরা কী পেলে? কোনো নারীর সাফল্য আপনাদের সহ্য হয় না। করণ জোহরের হাত রয়েছে। কারও বাবার ক্ষমতা নেই, আমার ক্ষতি করার।”

তবে এই লেখাটি প্রকাশ পর্যন্ত আলিয়া ভাট বা তার টিমের পক্ষ থেকে এমন কোনো পোস্টের সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব স্ক্রিনশট বা উদ্ধৃতির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আলিয়া ভাট সাধারণত ব্যক্তিগত সমালোচনা বা ট্রলের বিষয়ে প্রকাশ্যে খুব কমই প্রতিক্রিয়া জানান। তাই এই ভাইরাল পোস্ট ঘিরে ভক্তদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। অনেকেই পোস্টটির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়েছেন।

এদিকে ‘আলফা’ মুক্তির পর সিনেমাটির বক্স অফিস পারফরম্যান্স, আলিয়ার অভিনয় এবং নেপোটিজম বিতর্ক সব মিলিয়ে বলিউডে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ভাইরাল পোস্টের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা না আসা পর্যন্ত এ নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।