ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া সম্প্রতি তাঁর সফলতার পেছনের কঠিন পরিশ্রম ও মানসিক চাপের কথা খোলামেলাভাবে শেয়ার করেছেন। ছাত্রজীবনের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, কঠোর পরিশ্রমের পরেও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় না, যেমনটি তাঁর নিজের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল। শত চেষ্টার পরেও কখনো ক্লাসে প্রথম তিনজনের মধ্যে থাকতে না পারার সেই আফসোস এবং মায়ের দেওয়া অনুপ্রেরণা, এই দুইয়ের সংমিশ্রণেই ফারিয়া শিখেছেন যে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নুসরাত ফারিয়া এ পর্যন্ত ২৩টি সিনেমা, বেশ কিছু জনপ্রিয় গান এবং দেশ-বিদেশে সাড়ে পাঁচশোরও বেশি স্টেজ শো করেছেন। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এত অভিজ্ঞতার পরেও প্রতিবার মঞ্চে বা ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর আগে তিনি ভীষণ নার্ভাস ও উদ্বিগ্ন থাকেন। ফারিয়ার ভাষায়, “আমার মনে হয় এটাই আমার ফার্স্ট টেক এবং এটাই আমার লাস্ট টেক।” গ্ল্যামার জগতের বাইরের এই মানসিক লড়াই দর্শকদের কাছে অজানা থাকলেও ফারিয়া বিশ্বাস করেন, প্রতিটি কাজেই নিজের সেরাটা দেওয়ার মানসিকতাই তাঁকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সমালোচনা নিয়েও নিজের স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন এই তারকা। তাঁর মতে, শোবিজ জগতের চাকচিক্যময় জীবন আসলে প্রতিদিনের একটি স্ট্রাগল। দর্শকদের সামনে নিজেকে সবসময় নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করার যে চাপ থাকে, সেটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। ফারিয়া বলেন, “সামান্য ওজন বৃদ্ধি বা কথা বলায় সামান্য ভুল হলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।” এই নিরন্তর চাপের মধ্যেই নিজেকে প্রতিনিয়ত ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এই চিরসবুজ চিত্রনায়িকা।