গত ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়া রণবীর সিং অভিনীত ছবি ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির প্রথম দিন থেকেই বক্স অফিসে ঝড় তোলে। অল্প সময়ের মধ্যেই ছবিটির বিশ্বব্যাপী আয় পৌঁছয় প্রায় ১১০০ কোটি রুপিতে, ভেঙে যায় খান-কাপুর যুগের একাধিক রেকর্ড। তবে ব্যবসার পাশাপাশি ছবিটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে এর সংগীতের জন্য।
বিশেষ করে অক্ষয় খান্নার বালোচিস্তান এন্ট্রি সিকোয়েন্সে ব্যবহৃত FA9LA র্যাপ গানটি গত কয়েক মাসে সব বয়সের দর্শকের মধ্যে আলাদা জায়গা করে নেয়। গানটির জনপ্রিয়তা এতটাই বেড়েছে যে এবার মিলল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও।
‘ধুরন্ধর’-এ ব্যবহৃত এই গানের সুবাদেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিলেন বাহারিনের র্যাপার হুসাম অসীম, যিনি পরিচিত ফ্লিপারাচি নামে। খবর অনুযায়ী, FA9LA একসঙ্গে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিলবোর্ডে স্থান পেয়ে আরবিয়া চার্টের শীর্ষে উঠে আসে। এই নজিরবিহীন সাফল্যের ভিত্তিতেই গিনেস রেকর্ডসে নাম উঠেছে তাঁর।
এর ফলে ভারতসহ গোটা উপমহাদেশে ফ্লিপারাচির জনপ্রিয়তা যে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, তা স্পষ্ট। গিনেস রেকর্ডের খবর পেয়ে আবেগাপ্লুত শিল্পী নিজেও। তিনি বলেন, “গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস, হাবিবি! সত্যিই অবিশ্বাস্য। যে ভাষায় গানটি গাওয়া হয়নি, সেই হিন্দিতেই এতটা জনপ্রিয়তা আমার কল্পনার বাইরে ছিল।”
ফ্লিপারাচির কথায়, গত দু’মাসে FA9LA যেন একেবারে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। একটিমাত্র গানের জন্য চারটি চার্টে শীর্ষস্থানে পৌঁছানো তাঁর কাছে গর্বের মুহূর্ত। এই বিশ্বরেকর্ডের খবরটি তিনি পান একটি ফটোশুটের মাঝেই, সেখান থেকেই উচ্ছ্বাস ভাগ করে নেন ভক্তদের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে।
আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’-এ FA9LA র্যাপটির প্রভাব আরও বেড়েছে অক্ষয় খান্নার শক্তিশালী নৃত্যশৈলী ও উপস্থিতির কারণে। আরবি ভাষা ও আধুনিক র্যাপের মেলবন্ধনে তৈরি এই গান আন্তর্জাতিক মঞ্চে এনে দিল এক ঐতিহাসিক স্বীকৃতি। ফ্লিপারাচির এই সাফল্যে খুশির হাওয়া টিম ‘ধুরন্ধর’-এও।