ইতালির রোমে নগরবাউল জেমসের কনসার্টকে কেন্দ্র করে আয়োজকদের সঙ্গে তৈরি হয়েছে চরম বিতর্ক ও জটিলতা। কনসার্ট শেষে হোটেলের রুম নোংরা করে রেখে যাওয়া, না জানিয়ে চলে আসা এবং অর্থ আত্মসাতের মতো একগুচ্ছ অভিযোগ উঠেছে জেমস ও তাঁর দলের বিরুদ্ধে। তবে হোটেল রুম নোংরা করার অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে দাবি করেছেন জেমসের মুখপাত্র ও ব্যান্ড ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন।
১৬ আগস্ট রোমে কনসার্ট শেষে বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ওঠেন জেমস ও তাঁর সফরসঙ্গীরা। পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও হোটেলের মেসেজে দেখা যায়—মেঝেতে প্লাস্টিকের বোতল, ডাইনিং টেবিলে উচ্ছিষ্ট খাবার এবং সিঙ্কে অপরিচ্ছন্ন থালা-বাসন পড়ে রয়েছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ রুমটির পরিচ্ছন্নতার জন্য ২০০ ইউরো জরিমানা দাবি করে।
বিষয়টি পরিষ্কার করে রবিন জানান, জেমস ছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে এবং রবিন নিজে ছিলেন ২৪৬ নম্বর কক্ষে। যে ৫৪৯ নম্বর রুম নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেখানে ব্যান্ডের এক মিউজিশিয়ান ছিলেন। ফলে একজনের রুমের দায় জেমসের ওপর চাপিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় তারকাকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো অনুচিত। না জানিয়ে হোটেল ছাড়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "এত মানুষ ও এত ভারী ইনস্ট্রুমেন্ট নিয়ে লুকিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আয়োজকদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এসব মিথ্যাচার করা হচ্ছে।"
এদিকে ইতালির আয়োজক হোসাইন আহমেদ টিকিট বিক্রি ও অগ্রিম অর্থের হিসাব না দেওয়ার অভিযোগ তুলে পুলিশ ডাকার কথাও দাবি করেছেন। তবে জেমসের মুখপাত্র পাল্টা জবাবে জানান, চুক্তি অনুযায়ীই সব কাজ করা হয়েছে। কোনো শর্ত ভঙ্গ হলে তারা আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন, তবে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।