মেঘনা আলমের উদ্যোগেই সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ এমন দাবিতে নতুন করে আলোচনায় সাবেক ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ’।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত মডেল ও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার এই সাবেক বিজয়ী এবার রাজনীতির ময়দানে। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে নাম ঘোষণার পর থেকেই নানা বক্তব্য ও ফেসবুক পোস্টের কারণে বারবার আলোচনায় আসছেন মেঘনা আলম।

সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর নাম উঠে এসেছে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের সাবেক রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আল দুহাইলানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার প্রসঙ্গে। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি বক্তব্য দিয়ে নিজেই আলোচনা আরও উসকে দিয়েছেন তিনি। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রথম যে বিদেশি কূটনীতিক সাক্ষাৎ করেন, তিনি ছিলেন সৌদির সাবেক রাষ্ট্রদূত ঈসা। আর সেই সাক্ষাতের ধারণা ও অনুপ্রেরণা নাকি তিনিই দিয়েছেন।

এই পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর সৌদির সাবেক রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আল দুহাইলান বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এদিকে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে নিজের এলাকা ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস এবং ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে সরাসরি বিতর্কে বসার আহ্বান জানান মেঘনা আলম। সেই আহ্বানও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথমবার সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেও বক্তব্য ও অবস্থানের কারণে অল্প সময়েই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেঘনা আলম। যদিও এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ডিসেম্বর গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলের প্রাথমিক সদস্য ফরম পূরণ করেন মেঘনা আলম। একই দিন তিনি ঢাকা-৮ আসনের মনোনয়ন ফরমও সংগ্রহ করেন।