বলিউডের মেগাস্টার সালমান খান আজ কোটি কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিলেও তাঁর ক্যারিয়ারের শুরুর গল্পটা ছিল একদমই ভিন্ন। ১৯৮৯ সালের কালজয়ী সিনেমা ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’-তে সালমান খানের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন নবাগত নায়িকা ভাগ্যশ্রী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই সময়কার পারিশ্রমিক বৈষম্য এবং এর পেছনের ব্যবসায়িক কারণ নিয়ে মুখ খুলেছেন এই অভিনেত্রী।
ভারতীয় গণমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, সুরাজ বারজাত্য পরিচালিত ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ সিনেমার জন্য সালমান খানকে দেওয়া হয়েছিল মাত্র ২৫ হাজার রুপি। বিপরীতে একই সিনেমার কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রের জন্য ভাগ্যশ্রী পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ১ লাখ রুপি। সে সময় সালমানের আগে কেবল একটি সিনেমায় ছোট ভূমিকা থাকলেও ভাগ্যশ্রীর চাহিদা ছিল তুঙ্গে, যার ফলে এই ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
পারিশ্রমিক নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে ভাগ্যশ্রী জানান, এটি মূলত ‘চাহিদা ও সরবরাহের’ (Demand and Supply) ওপর নির্ভর করে। তিনি বলেন, “একজন নারী কঠোর পরিশ্রম করলেও যদি প্রযোজক মনে করেন অন্য কেউও সেই কাজ করতে পারবেন, তবে তাঁরা নিজেদের ইচ্ছেমতো টাকা দেবেন। তখন অভিনেত্রীকে সিদ্ধান্ত নিতে হয় তিনি সেই শর্তে কাজ করবেন কি না।” তিনি আরও আক্ষেপ করে বলেন যে, বলিউডে অনেকেই স্রেফ কাজের সুযোগ পেতে কম পারিশ্রমিকে রাজি হয়ে যান, যা দীর্ঘমেয়াদে পারিশ্রমিক সমতার পথে বাধা সৃষ্টি করে।
উল্লেখ্য, ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ মুক্তির পর বক্স অফিসে ইতিহাস গড়েছিল এবং সালমান-ভাগ্যশ্রী জুটি রাতারাতি মহাতারকায় পরিণত হন। সিনেমায় অলোক নাথ, রিমা লাগু ও মনীশ বহেলের মতো শিল্পীরাও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।