চার বছর আগেই ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনকার্ডের অনুমোদন পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেতা অমিত হাসান।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে অমিত হাসান বলেন, চলচ্চিত্র নায়কদের মধ্যে সর্বপ্রথম তিনি ও শাকিব খান যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য গ্রিনকার্ডের অনুমোদন পান। এরপর থেকেই দুজনই বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিয়মিত যাতায়াত করছেন। শুটিং বা কাজ থাকলে দেশে আসেন, আর কাজ না থাকলে পরিবারের কাছে আমেরিকায় ফিরে যান।
জানা যায়, শাকিব খান এর আগে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করলেও সেগুলো প্রত্যাখ্যাত হয়। দীর্ঘ অপেক্ষা ও জটিল প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে ২০২২ সালে তিনি গ্রিনকার্ডের অনুমোদনের সবুজ সংকেত পান।
অন্যদিকে অমিত হাসান বেশ কয়েক বছর ধরেই পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি প্রথমবার ২০১৪ সালে স্বল্প সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। পরে ২০১৭ সালে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে অবকাশ যাপনের উদ্দেশ্যে আবার দেশটিতে যান। পরবর্তীতে সন্তানদের পড়াশোনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেন।
এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করেন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২৩ সালে স্পেশাল ক্যাটাগরি ইবি-১ ভিসার আওতায় অমিত হাসান, তাঁর স্ত্রী ও কন্যাসন্তান গ্রিনকার্ডের অনুমোদন পান।
তবে শাকিব খান যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো তাঁর পক্ষ থেকে কোনো সরাসরি মন্তব্য পাওয়া যায়নি।