একসময় ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর অডিশন থেকেই বাদ পড়েছিলেন। তবে সেই ব্যর্থতায় দমে না গিয়ে দীর্ঘ ছয় বছরের অপেক্ষার পর একই মঞ্চে চ্যাম্পিয়নের ট্রফি উঁচিয়ে ধরলেন ওডিশার মেয়ে জ্যোতির্ময়ী নায়েক। ২০১৯ সালের প্রত্যাখ্যান থেকে ২০২৬ সালে ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৬’-এর খেতাব জয় পুরো যাত্রাকে তিনি নিজের জীবনের এক ‘পূর্ণ বৃত্ত সম্পন্ন হওয়া’র গল্প হিসেবে দেখছেন।

‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৬’-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে জ্যোতির্ময়ীর হাতে বিজয়ের সম্মাননা ও ট্রফি তুলে দেন ভারতের খ্যাতনামা কণ্ঠশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল ও র‍্যাপার বাদশাহ। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঝলমলে ট্রফির পাশাপাশি তিনি পেয়েছেন ২০ লাখ রুপির সমপরিমাণ অর্থ পুরস্কার। চূড়ান্ত লড়াইয়ে তিনি পরাস্ত করেন অংশিকা চোনকার, মনরাজ বীর সিং, মাইস্কমে বসু, সুহাইল সুফি ও তনিষ্ক শুক্লার মতো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীদের।

ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জ্যোতির্ময়ী নিজের অনুভূতির কথা প্রকাশ করে জানান, ওডিশায় তিনি আগেই প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবুও নতুন করে নিজেকে প্রমাণের চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। অডিশনে বাদ পড়ার পর উদিত নারায়ণের সঙ্গে প্রথম গান রেকর্ড করার সুযোগ এবং তাঁর দেওয়া উৎসাহ জ্যোতির্ময়ীকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করেছে।

শুধু সংগীতেই নয়, জ্যোতির্ময়ীর শিক্ষাগত যোগ্যতার ঝুলিতে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রি। পরবর্তীতে মিউজিক থেরাপি নিয়ে পড়াশোনা করে ক্যানসার রোগীদের সেবায় প্যালিয়েটিভ কেয়ারে ইন্টার্নশিপও করেছেন তিনি। আগামীতে সময় পেলে জ্যোতিষশাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছার কথা জানান এই উদীয়মান সংগীত তারকা।