দীর্ঘদিন পর আবারও রূপালী পর্দায় ফিরছেন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। পরিচালক রাজকুমার সন্তোষির নতুন সিনেমা ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এ ‘হামিদা’ চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। দেশভাগের করুণ ও রক্তাক্ত প্রেক্ষাপটে রচিত এই সিনেমায় নিজের পরিবারকে আগলে রাখার আপ্রাণ লড়াই করা এক নারীর অনুভূতি ফুটিয়ে তুলতে অভিনেত্রী তাঁর বাস্তব জীবনের মাতৃত্ব ও বৈবাহিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছেন। ভাইব নিউজ-এর এই প্রতিবেদনে থাকছে বিস্তারিত।
এক সাক্ষাৎকারে প্রীতি জিনতা জানান, গল্পটির মূল সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে চরম অন্ধকারের মধ্যেও আশার আলো ধরে রাখার মানসিকতায়। বাস্তব জীবনে মা হওয়ার পরই তিনি অনুধাবন করতে পেরেছেন যে দেশভাগের মতো ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল নারী ও শিশুরা। নিজের পরিবার থাকার কারণেই চরিত্রটির ভেতরের গভীর কান্না ও যন্ত্রণা তিনি নিজের মধ্যে লালন করতে পেরেছেন।
ছবির ট্রেনের একটি আবেগঘন দৃশ্যের স্মৃতিচারণ করে প্রীতি জানান, তাঁর সহশিল্পী সানি দেওল আগেই ‘গদর’-এ কাজ করার কারণে এ ধরণের দৃশ্যপট সম্পর্কে অভিজ্ঞ ছিলেন। তবে প্রীতির জন্য পুরো দৃশ্যটি ছিল চরম যন্ত্রণাদায়ক। সিনেমায় তাঁর পুরো চরিত্রটিই গড়ে উঠেছে পরিবারকে রক্ষা করার মানসিকতাকে ঘিরে।
পরিচালক রাজকুমার সন্তোষী জানান, সিনেমায় পুরুষতান্ত্রিক অহংকার ও পরিবারের নিরাপত্তার টানাপোড়েন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। গল্পের এক পর্যায়ে সানি দেওলের চরিত্র ‘সিকান্দার মির্জা’ তার ভুল সিদ্ধান্তের কারণে পরিবার বিপদে পড়লে স্ত্রীর কাছে ক্ষমা চায়। স্বামীর এই সম্মান প্রদর্শনই পরবর্তীতে স্ত্রীর জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।