বলিউডের চিরন্তন সৌন্দর্যের প্রতীক মধুবালা। তাঁর কালজয়ী রূপ আর রহস্যময় জীবন এবার পর্দায় উঠে আসতে চলেছে। পিঙ্কভিলার এক্সক্লুসিভ তথ্য অনুযায়ী, নির্মাতা জাসমিত কে রিনের পরবর্তী বায়োপিকে কিংবদন্তি এই অভিনেত্রীর চরিত্রে অভিনয় করবেন সারা অর্জুন। ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার সাফল্যের পর এটি সারার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় এবং চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্ট হতে যাচ্ছে।
সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন বলিউডের মাস্টারমেকার সঞ্জয় লীলা বনশালি। হিন্দি সিনেমার সোনালি যুগকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রজেক্টটি বড় পরিসরের সিনেম্যাটিক অভিজ্ঞতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। বর্তমানে প্রি-প্রোডাকশনে থাকা এই ছবির শুটিং চলতি বছরের শেষের দিকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রকল্পের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো পিঙ্কভিলা-কে জানিয়েছে:
“মধুবালার চিরন্তন সৌন্দর্য ও আকর্ষণ ফুটিয়ে তুলতে সারা ব্যাপক শারীরিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাবেন। পোশাকের খুঁটিনাটি থেকে শুরু করে ডায়ালেক্ট ট্রেনিং এবং লুক টেস্ট, সবকিছুতেই নির্মাতারা নিখুঁতভাবে সেই সময়কালকে তুলে ধরার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।”
‘ডার্লিংস’ খ্যাত পরিচালক জাসমিত কে রিন এই সিনেমাটিকে একটি উচ্চমাত্রার নাটকীয় গল্প হিসেবে নির্মাণ করছেন, যেখানে থাকবে ট্র্যাজিক আবেগের গভীর স্তর। অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে:
“এটি মধুবালার অসাধারণ কিন্তু বেদনাদায়ক জীবনের প্রতি এক গভীর আবেগঘন শ্রদ্ধাঞ্জলি হতে যাচ্ছে।”
১৯৫০-এর দশকের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত তারকা মধুবালা তাঁর দুই দশকের ক্যারিয়ারে ৭০টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। কমেডি থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক ড্রামা, সবখানেই তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। মৃত্যুর এত বছর পরও তাঁর পর্দা উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করে। বনশালির প্রযোজনা আর সারার অভিনয়ের রসায়ন এই বায়োপিককে বছরের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।