বিয়ের পর প্রথমবার একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। নতুন সিনেমা ‘রণবালি’র মুক্তির আগে প্রচারণার কাজে চেন্নাইয়ে গিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়ের (থালাপতি বিজয়) সঙ্গে দেখা করেছেন এই তারকা দম্পতি। সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন দুজনেই।
রাহুল সাংকৃত্যায়ন পরিচালিত সিনেমাটি আগামী ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা। এর আগে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন বিজয় ও রাশমিকা।
সাক্ষাতের পর এক্সে ছবি পোস্ট করে বিজয় দেবেরাকোন্ডা জানান, থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে এটিই ছিল তার প্রথম দেখা। প্রথম সাক্ষাতেই মুখ্যমন্ত্রীর আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়েছেন তিনি।
পোস্টে বিজয় লেখেন, দীর্ঘ একটি দিন পার করার পরও থালাপতি বিজয় তাদের অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করেছেন। জীবন, কাজ ও পৃথিবী নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার অনেক ব্যক্তিগত দিকও ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। প্রথম সাক্ষাতেই মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের প্রিয় মানুষদের একজন বলে উল্লেখ করে আবার দেখা হওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছেন অভিনেতা।
অন্যদিকে, থালাপতি বিজয়ের ভক্ত থেকে তার সহশিল্পী হওয়া এবং এখন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার পথচলা দেখার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন রাশমিকা মান্দানা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি শেয়ার করে অভিনেত্রী লেখেন, বহু বছর ধরেই তিনি বিজয়ের ভক্ত। পরে তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। আর এখন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার নতুন যাত্রা দেখে মুগ্ধ তিনি। থালাপতি বিজয়ের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনাও জানিয়েছেন রাশমিকা।
২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ভারিসু’ সিনেমায় থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন রাশমিকা। বংশী পেইডিপল্লী পরিচালিত সিনেমাটি প্রযোজনা করেন দিল রাজু ও শিরীষ।
এদিকে, ‘রণবালি’র গল্পের পটভূমি ১৮৭০-এর দশক। ১৮৭৬ থেকে ১৮৭৮ সালের ভয়াবহ গ্রেট মাদ্রাজ দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে নির্মিত সিনেমাটিতে রায়লসীমা অঞ্চলের এক লোককথার যোদ্ধা ও তার গ্রামের মানুষের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। ব্রিটিশদের শোষণমূলক করনীতি ও খাদ্যশস্যসংক্রান্ত নীতির বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর লড়াইও দেখা যাবে এতে।
আগামী ১৬ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা অভিনীত ‘রণবালি’র।