কে-পপ তারকাদের রুপালি জীবনের চমকপ্রদ আলোর পেছনে লুকিয়ে থাকে কঠিন বাস্তবতা ও অসংখ্য বিধিনিষেধ। বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড ব্ল্যাকপিংকের জনপ্রিয় সদস্য লিসাও এর ব্যতিক্রম নন। সম্প্রতি নিজের একক প্রামাণ্যচিত্র ‘অলওয়েজ লালিসা’-তে কে-পপ ইন্ডাস্ট্রি, ব্যক্তিগত জীবন এবং সম্পর্ক গোপন রাখার মানসিক চাপ নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। 

প্রামাণ্যচিত্রে লিসা জানান, মাত্র ১৪ বছর বয়সে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে নিজের মতামত বা আবেগ প্রকাশের সাহস পেতেন না তিনি। বিশেষ করে কে-পপ ইন্ডাস্ট্রির কঠোর নিয়মের কারণে ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার অভিজ্ঞতাও তাঁর জন্য ছিল অত্যন্ত জটিলাকার। লিসার ভাষ্যমতে, “কে-পপ সংস্কৃতিতে আমরা প্রেম করতে পারি না।” ক্যারিয়ার ও ব্যান্ডের জনপ্রিয়তার কথা ভেবে তরুণ বয়সের প্রেমগুলোকেও সবসময় আড়ালেই রাখতে হয়েছিল তাঁকে।

এমনকি তাঁর একক অ্যালবাম ‘অল্টার ইগো’-র জনপ্রিয় গান ‘ড্রিম’-এর পেছনে লুকিয়ে আছে এমনই এক গোপন ভালোবাসার গল্প। গানটি প্রকাশের আগে তিনি তাঁর সাবেক প্রেমিকের কাছ থেকে অনুমতিও নিয়েছিলেন, যা প্রকাশের শর্ত ছিল পরিচয় গোপন রাখা। এলভিএমএইচের উত্তরসূরি ফ্রেদেরিক আর্নল্টের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন ভেঙে যাওয়ার পর সম্প্রতি থাই অভিনেতা ব্লু পংতিওয়াতের সঙ্গে তাঁর প্রেমের খবর ছড়ালেও, তারকা জীবনের কঠোর বিধিনিষেধ লিসার ব্যক্তিগত জীবনকে এখনো আগের মতোই চ্যালেঞ্জিং করে রেখেছে।