বর্তমান মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে যখন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একচ্ছত্র আধিপত্য, তখন সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে শীর্ষস্থান দখল করে নিলেন কিং অফ পপ মাইকেল জ্যাকসন। স্পটিফাই (Spotify) এবং অ্যাপল মিউজিক (Apple Music)-এর সাম্প্রতিক ট্র্যাকার রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমান সময়ের হার্টথ্রব টেলর সুইফটকে পেছনে ফেলে জ্যাকসন এখন ১ নম্বর অবস্থানে। র্যাঙ্কিংয়ের পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছেন জাস্টিন বিবার, বিটিএস (BTS) এবং ব্যাড বানি।
মাইকেল জ্যাকসনের এই সাফল্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ কারণ তাঁর ক্যারিয়ারের স্বর্ণযুগ ছিল স্ট্রিমিং বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আসার অনেক আগে। এই র্যাঙ্কিং প্রমাণ করে যে, তাঁর গানগুলো কেবল গতানুগতিক নস্টালজিয়া নয়, বরং বর্তমান প্রজন্মের নতুন শ্রোতাদের প্লেলিস্টেও সমানভাবে জায়গা করে নিয়েছে। পুরোনো ভক্তদের পাশাপাশি নতুন জেনারেশনের এই প্রবল আগ্রহই তাঁকে আধুনিক সময়ের বড় বড় সব পপ তারকাদের উপরে তুলে এনেছে।
মিউজিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো শিল্পীর দীর্ঘ সময় পর চার্টে এমন উত্থানের জন্য সাধারণত বিশেষ কোনো ট্রিগার বা ইভেন্টের প্রয়োজন হয়। তবে সেই অবস্থান ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন গানের আসল মান ও চাহিদা। মাইকেল জ্যাকসনের ক্ষেত্রে এটিই ঘটেছে। এটি এখন আর কেবল অতীতের স্মৃতি নয়, বরং স্ট্রিমিং দুনিয়ায় এক সক্রিয় ও শক্তিশালী উপস্থিতি হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে।